রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

রাজশাহীতে পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক শিক্ষা, সংস্কৃতি ও নৈতিকতা উৎসব অনুষ্ঠিত

আরবিসি নিউজ
আরবিসি নিউজ
০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
রাজশাহীতে পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক শিক্ষা, সংস্কৃতি ও নৈতিকতা উৎসব অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক প্রতিভা, নৈতিকতা ও ইসলামী মূল্যবোধের বিকাশে রাজশাহীতে পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক শিক্ষা, সংস্কৃতি ও নৈতিকতা উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজশাহীর একটি অভিজাত কনভেনশন সেন্টারে দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

এ উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন। 

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. জহুর আলী, পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জহিরুল ইসলাম ফারুক এবং ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ফাতেমা সিদ্দিকা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আলাউদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ড. এম. মুর্শেদ জামান মিয়া।

সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, হামদ ও নাত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এ উৎসব অনুষ্ঠানে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা এগিয়ে যায়। 

সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে গান, নৃত্য, আবৃত্তি, কৌতুক ও বিভিন্ন সৃজনশীল পরিবেশনা তুলে ধরা হয়।

উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের হজ ও জানাজা বিষয়ক প্রতীকী শিক্ষামূলক প্রদর্শনী। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় জ্ঞান ও ইসলামী অনুশীলন সম্পর্কে বাস্তবধর্মী ধারণা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রতিভা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়।

সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে নাশতা বিরতির পর ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে শুরু হয় স্লাইড-শো। এরপর সকাল ১১টা ১০ মিনিটে অতিথিরা আসন গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্বে অতিথিদের বক্তব্য, শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক চর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। পাঠ্যবইয়ের বাইরের অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি, আত্মবিশ্বাস ও মানবিক গুণাবলি বিকাশে সহায়তা করে। তাই শিক্ষার সঙ্গে সংস্কৃতি ও নৈতিকতার সমন্বয় ঘটিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।

এ অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মেধা, মননশীলতা ও সৃজনশীলতার বিকাশের পাশাপাশি তাদের মধ্যে জীবনঘনিষ্ঠ জ্ঞান, শিষ্টাচার ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটানোই এ উৎসবের মূল উদ্দেশ্য। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করে আনন্দময় ও শিক্ষামূলক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে তাদের অর্জিত জ্ঞান ও মূল্যবোধকে আরও সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।

তাঁরা আরও জানান, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের নিজেদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করে। একই সঙ্গে অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দুপুর ১২টায় সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী উৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। 

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ধর্মীয় শিক্ষামূলক প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে আয়োজনটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন।


আরবিসি /৩ অক্টোবর'২৬/ রোজি

rbcnewsbd.com
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
প্রকাশিত: শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

রাজশাহীতে পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক শিক্ষা, সংস্কৃতি ও নৈতিকতা উৎসব অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক শিক্ষা, সংস্কৃতি ও নৈতিকতা উৎসব অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক প্রতিভা, নৈতিকতা ও ইসলামী মূল্যবোধের বিকাশে রাজশাহীতে পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক শিক্ষা, সংস্কৃতি ও নৈতিকতা উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজশাহীর একটি অভিজাত কনভেনশন সেন্টারে দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

এ উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন। 

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. জহুর আলী, পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জহিরুল ইসলাম ফারুক এবং ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ফাতেমা সিদ্দিকা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আলাউদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ড. এম. মুর্শেদ জামান মিয়া।

সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, হামদ ও নাত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এ উৎসব অনুষ্ঠানে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা এগিয়ে যায়। 

সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে গান, নৃত্য, আবৃত্তি, কৌতুক ও বিভিন্ন সৃজনশীল পরিবেশনা তুলে ধরা হয়।

উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের হজ ও জানাজা বিষয়ক প্রতীকী শিক্ষামূলক প্রদর্শনী। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় জ্ঞান ও ইসলামী অনুশীলন সম্পর্কে বাস্তবধর্মী ধারণা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রতিভা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়।

সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে নাশতা বিরতির পর ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে শুরু হয় স্লাইড-শো। এরপর সকাল ১১টা ১০ মিনিটে অতিথিরা আসন গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্বে অতিথিদের বক্তব্য, শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক চর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। পাঠ্যবইয়ের বাইরের অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি, আত্মবিশ্বাস ও মানবিক গুণাবলি বিকাশে সহায়তা করে। তাই শিক্ষার সঙ্গে সংস্কৃতি ও নৈতিকতার সমন্বয় ঘটিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।

এ অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মেধা, মননশীলতা ও সৃজনশীলতার বিকাশের পাশাপাশি তাদের মধ্যে জীবনঘনিষ্ঠ জ্ঞান, শিষ্টাচার ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটানোই এ উৎসবের মূল উদ্দেশ্য। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করে আনন্দময় ও শিক্ষামূলক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে তাদের অর্জিত জ্ঞান ও মূল্যবোধকে আরও সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।

তাঁরা আরও জানান, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের নিজেদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করে। একই সঙ্গে অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দুপুর ১২টায় সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী উৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। 

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ধর্মীয় শিক্ষামূলক প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে আয়োজনটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন।


আরবিসি /৩ অক্টোবর'২৬/ রোজি