বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

রাজশাহীর দুর্গাপুরে তিন ফসলি জমি রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের কঠোর অভিযান

আরবিসি নিউজ
আরবিসি নিউজ
০১ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
রাজশাহীর দুর্গাপুরে তিন ফসলি জমি রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের কঠোর অভিযান

দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি : কৃষি জমি রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন আবারও মাঠে নেমেছে। তিন ফসলি জমির টপসয়েল কেটে অবৈধভাবে পুকুর খননের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লায়লা নূর তানজু।

এ উপলক্ষে বুধবার (১ জুলাই) ১ নম্বর নওপাড়া ইউনিয়নের আলীপুর এলাকায় প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের খবর পেয়ে অবৈধ খননের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও তাদের ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়।

পরিবহনের উপযোগী যানবাহন না থাকায় আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তিনটি এস্কেভেটর যান্ত্রিকভাবে অকেজো করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে খননকাজে ব্যবহৃত ছয়টি ব্যাটারিও নিষ্ক্রিয় করা হয়, যাতে পুনরায় মেশিন চালু করে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করা না যায়।

তবে এটি প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে গত ২৪ জুন ২০২৬ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে একটি ভেকু (এস্কেভেটর) নিষ্ক্রিয় করা হলেও সংশ্লিষ্টরা পুনরায় অবৈধ খনন শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে দুর্গাপুর থানায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫ (১) ধারায় নিয়মিত মামলা (নং-২৩, তারিখ: ২৭ জুন ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে।

অভিযান শেষে দুর্গাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লায়লা নূর তানজু বলেন, তিন ফসলি জমি আমাদের খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। টপসয়েল কেটে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা মানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলা। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।

এ বিষয়ে রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মহিনুল হাসান বলেন, ফসলি জমিতে কোনোভাবেই অবৈধভাবে পুকুর খনন করতে দেওয়া হবে না। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কৃষি জমি রক্ষায় আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। উপজেলা প্রশাসনের এ তাৎক্ষণিক ও দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপকে স্থানীয় কৃষক ও সচেতন মহল স্বাগত জানিয়েছে।

rbcnewsbd.com
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
প্রকাশিত: বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

রাজশাহীর দুর্গাপুরে তিন ফসলি জমি রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের কঠোর অভিযান

রাজশাহীর দুর্গাপুরে তিন ফসলি জমি রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের কঠোর অভিযান

দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি : কৃষি জমি রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন আবারও মাঠে নেমেছে। তিন ফসলি জমির টপসয়েল কেটে অবৈধভাবে পুকুর খননের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লায়লা নূর তানজু।

এ উপলক্ষে বুধবার (১ জুলাই) ১ নম্বর নওপাড়া ইউনিয়নের আলীপুর এলাকায় প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের খবর পেয়ে অবৈধ খননের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও তাদের ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়।

পরিবহনের উপযোগী যানবাহন না থাকায় আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তিনটি এস্কেভেটর যান্ত্রিকভাবে অকেজো করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে খননকাজে ব্যবহৃত ছয়টি ব্যাটারিও নিষ্ক্রিয় করা হয়, যাতে পুনরায় মেশিন চালু করে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করা না যায়।

তবে এটি প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে গত ২৪ জুন ২০২৬ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে একটি ভেকু (এস্কেভেটর) নিষ্ক্রিয় করা হলেও সংশ্লিষ্টরা পুনরায় অবৈধ খনন শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে দুর্গাপুর থানায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫ (১) ধারায় নিয়মিত মামলা (নং-২৩, তারিখ: ২৭ জুন ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে।

অভিযান শেষে দুর্গাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লায়লা নূর তানজু বলেন, তিন ফসলি জমি আমাদের খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। টপসয়েল কেটে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা মানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলা। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।

এ বিষয়ে রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মহিনুল হাসান বলেন, ফসলি জমিতে কোনোভাবেই অবৈধভাবে পুকুর খনন করতে দেওয়া হবে না। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কৃষি জমি রক্ষায় আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। উপজেলা প্রশাসনের এ তাৎক্ষণিক ও দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপকে স্থানীয় কৃষক ও সচেতন মহল স্বাগত জানিয়েছে।