মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

ভর্তি পরীক্ষার হলে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে নকল, অতঃপর...

আরবিসি নিউজ
আরবিসি নিউজ
১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৬ অপরাহ্ন
ভর্তি পরীক্ষার হলে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে নকল, অতঃপর...

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) সমন্বিত গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে গিয়ে নকলের দায়ে আটক হয়েছেন মো. ইমন নামের এক পরীক্ষার্থী। এ সময় তার কাছে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায় এবং চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে নকল করছিলেন বলে স্বীকার করেন তিনি।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক-২-এর ৬০৩ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পরীক্ষা কমিটির সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের সমন্বিত গুচ্ছ পদ্ধতিতে প্রথম বর্ষের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়ার পর বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে পরীক্ষার হলের দায়িত্বে থাকা এক শিক্ষক পরীক্ষার্থীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করেন। পরে তাকে তল্লাশি করে তার কাছে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। এরপর তাকে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণকক্ষে নিয়ে যায়। 

জানতে চাইলে আটক শিক্ষার্থী ইমন বলেন, আমি মোবাইল ফোন নিয়ে এসেছিলাম। এটা আমার অপরাধ হয়েছে। আমি ছবি তুলে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে উত্তর মিলাতে চেয়েছি। কিন্তু আমি তা করতে পারিনি। আমি স্বীকার করছি যে, আমি অপরাধ করেছি, তবে আমাকে ছেড়ে দিলে আমি আর জীবনে এমন কাজ করব না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান বলেন, পরীক্ষার হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক পরীক্ষার্থীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করেন। পরে তাকে আটক করে মোবাইল ফোন জব্দ করা হয় এবং তাকে পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেওয়া হয়।

rbcnewsbd.com
সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

ভর্তি পরীক্ষার হলে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে নকল, অতঃপর...

ভর্তি পরীক্ষার হলে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে নকল, অতঃপর...

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) সমন্বিত গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে গিয়ে নকলের দায়ে আটক হয়েছেন মো. ইমন নামের এক পরীক্ষার্থী। এ সময় তার কাছে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায় এবং চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে নকল করছিলেন বলে স্বীকার করেন তিনি।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক-২-এর ৬০৩ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পরীক্ষা কমিটির সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের সমন্বিত গুচ্ছ পদ্ধতিতে প্রথম বর্ষের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়ার পর বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে পরীক্ষার হলের দায়িত্বে থাকা এক শিক্ষক পরীক্ষার্থীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করেন। পরে তাকে তল্লাশি করে তার কাছে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। এরপর তাকে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণকক্ষে নিয়ে যায়। 

জানতে চাইলে আটক শিক্ষার্থী ইমন বলেন, আমি মোবাইল ফোন নিয়ে এসেছিলাম। এটা আমার অপরাধ হয়েছে। আমি ছবি তুলে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে উত্তর মিলাতে চেয়েছি। কিন্তু আমি তা করতে পারিনি। আমি স্বীকার করছি যে, আমি অপরাধ করেছি, তবে আমাকে ছেড়ে দিলে আমি আর জীবনে এমন কাজ করব না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান বলেন, পরীক্ষার হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক পরীক্ষার্থীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করেন। পরে তাকে আটক করে মোবাইল ফোন জব্দ করা হয় এবং তাকে পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেওয়া হয়।