মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ভারতে খনিতে বিস্ফোরণে ১৮ মৃত্যু, আটকা অনেকে

আরবিসি নিউজ
আরবিসি নিউজ
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
ভারতে খনিতে বিস্ফোরণে ১৮ মৃত্যু, আটকা অনেকে

আরবিসি ডেস্ক : ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে খননের অনুমোদন না থাকা এক কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১৮ জন নিহত ও ৮ জন আহত হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে মেঘালয়ের ইস্ট জৈন্তিয়া পাহাড়ি জেলার দুর্গম থাঙ্কসু এ বিস্ফোরণের ঘটনায় অনেকেই খনিটির ভেতর আটকা পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওই সময় খনিটিতে কত শ্রমিক কাজ করছিলেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা মনিষ কুমারের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, দুর্গম এলাকা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উদ্ধারকাজ স্থগিত রাখা হয়।

শুক্রবার সকাল থেকে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় উদ্ধারকর্মীদের নিয়ে ফের অনুসন্ধান শুরু করা যাবে বলেও আশা মনিষের।

তিনি খনিটিকে ‘অবৈধ র‌্যাট-হোল খনি’ অভিহিত করেছেন, এ ধরনের খনিতে সরু, গভীর টানেল থাকে, শ্রমিকরা সাধারণত এসব টানেলের ভেতর দিয়ে গিয়ে ঝুঁকি নিয়ে কয়লা ও অন্যান্য খনিজ সংগ্রহ করে।

জেলা পুলিশপ্রধান বিকাশ কুমার বলেছেন, ডিনামাইটের কারণে বিস্ফোরণ হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও এ নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বিকাশ কুমার বলেন, হয় দগ্ধ হয়ে না হয় ক্ষতিকর গ্যাস বা ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টজনিত কারণে শ্রমিকরা মারা গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। সেখানে কতজন ছিল, আসলেই কী ঘটেছিল তা বলতে পারার মতো এমন কাউকে এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি, যে কারণে ভেতরে ঠিক কতজন আটকে আছে সে সম্বন্ধে ধারণা দিতে পারছি না।

অবৈধ খনন বন্ধের আহ্বান জানিয়ে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কংরাড সাংমা কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছেন।

হতাহতদের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রত্যেককে দুই লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে ধারণা দেওয়া হয়েছে, ভারতের পূর্ব ও উত্তরপূর্ব অঞ্চলে অনুমোদনহীন খনি থেকে অবৈধভাবে কয়লা উত্তোলনের ঘটনা বেশ স্বাভাবিক, এখানে কাজ করা শ্রমিকরা প্রতিদিন ১৮ থেকে ২৪ ডলারের মতো আয় করেন।

২০১৮ সালে মেঘালয়ে এমনই এক খনিতে আটকা পড়ে অন্তত ১৫ খনি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল। পানিদূষণ সংক্রান্ত উদ্বেগ থেকে রাজ্যটিতে ২০১৪ সাল থেকেই ‘র‌্যাট-হোল খনিতে’ খনন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

rbcnewsbd.com
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

ভারতে খনিতে বিস্ফোরণে ১৮ মৃত্যু, আটকা অনেকে

ভারতে খনিতে বিস্ফোরণে ১৮ মৃত্যু, আটকা অনেকে

আরবিসি ডেস্ক : ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে খননের অনুমোদন না থাকা এক কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১৮ জন নিহত ও ৮ জন আহত হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে মেঘালয়ের ইস্ট জৈন্তিয়া পাহাড়ি জেলার দুর্গম থাঙ্কসু এ বিস্ফোরণের ঘটনায় অনেকেই খনিটির ভেতর আটকা পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওই সময় খনিটিতে কত শ্রমিক কাজ করছিলেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা মনিষ কুমারের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, দুর্গম এলাকা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উদ্ধারকাজ স্থগিত রাখা হয়।

শুক্রবার সকাল থেকে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় উদ্ধারকর্মীদের নিয়ে ফের অনুসন্ধান শুরু করা যাবে বলেও আশা মনিষের।

তিনি খনিটিকে ‘অবৈধ র‌্যাট-হোল খনি’ অভিহিত করেছেন, এ ধরনের খনিতে সরু, গভীর টানেল থাকে, শ্রমিকরা সাধারণত এসব টানেলের ভেতর দিয়ে গিয়ে ঝুঁকি নিয়ে কয়লা ও অন্যান্য খনিজ সংগ্রহ করে।

জেলা পুলিশপ্রধান বিকাশ কুমার বলেছেন, ডিনামাইটের কারণে বিস্ফোরণ হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও এ নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বিকাশ কুমার বলেন, হয় দগ্ধ হয়ে না হয় ক্ষতিকর গ্যাস বা ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টজনিত কারণে শ্রমিকরা মারা গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। সেখানে কতজন ছিল, আসলেই কী ঘটেছিল তা বলতে পারার মতো এমন কাউকে এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি, যে কারণে ভেতরে ঠিক কতজন আটকে আছে সে সম্বন্ধে ধারণা দিতে পারছি না।

অবৈধ খনন বন্ধের আহ্বান জানিয়ে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কংরাড সাংমা কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছেন।

হতাহতদের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রত্যেককে দুই লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে ধারণা দেওয়া হয়েছে, ভারতের পূর্ব ও উত্তরপূর্ব অঞ্চলে অনুমোদনহীন খনি থেকে অবৈধভাবে কয়লা উত্তোলনের ঘটনা বেশ স্বাভাবিক, এখানে কাজ করা শ্রমিকরা প্রতিদিন ১৮ থেকে ২৪ ডলারের মতো আয় করেন।

২০১৮ সালে মেঘালয়ে এমনই এক খনিতে আটকা পড়ে অন্তত ১৫ খনি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল। পানিদূষণ সংক্রান্ত উদ্বেগ থেকে রাজ্যটিতে ২০১৪ সাল থেকেই ‘র‌্যাট-হোল খনিতে’ খনন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।