শুক্রবার , ১৭ এপ্রিল ২০২৬
 শুক্রবার , ১৭ এপ্রিল ২০২৬

খালেদা জিয়ার স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

আইকন
আরবিসি নিউজ
১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
খালেদা জিয়ার স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

আরবিসি ডেস্ক : জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেওয়া স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করেছেন তার নাতনি জাইমা রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে তার বড় ছেলে তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

এবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্ত অন্যা ব্যক্তিরা হলেন— মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী বশীর আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় দেশের টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি জোবেরা রহমান লিনু, সমাজসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষক মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং চ্যানেল আইয়ের পরিচালক আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।

এছাড়া মনোনীত পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো– মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। স্বাধীনতা পুরস্কারের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রামের স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সন্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।