এদিকে মা-মেয়ে সাবগ্রাম দক্ষিণপাড়ায় দুই শতাংশ জায়গা কিনে সেখানে টিনের বাড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করেন। একমাস আগে ছকিনা তার প্রথম স্বামী বাদশা মিয়াকে আবার বিয়ে করেন। বাদশা মিয়া তার গ্রামের বাড়ি সারিয়াকান্দি উপজেলার হাসনাপাড়া গ্রামে বসবাস করেন। রুবেল এ খবর জানতে পেরে ছকিনার ওপর ক্ষুব্ধ হন।
নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গভীর রাতে রুবেল বাড়িতে গিয়ে ছকিনাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। তাকে ছেড়ে দিয়ে প্রথম স্বামীকে বিয়ে করার জন্য তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায়ে সঙ্গে নিয়ে আসা রামদা দিয়ে ছকিনাকে কোপানো শুরু করেন রুবেল। এ সময় আনোয়ারা বেগম মেয়েকে উদ্ধার করতে গেলে তাকেও কুপিয়ে রুবেল পালিয়ে যান রুবেল ।
পরে দুইজনকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাত দেড়টার দিকে ছকিনা মারা যান। পরে শনিবার (১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ছকিনার মা আনোয়ারা বেগমও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
বগুড়া নারুলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নাজমুল হক বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাড়ির পাশের বাঁশঝাড় থেকে রক্ত মাখা রামদাটি উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রুবেলকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। নিহত মা-মেয়ের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রয়েছেন বলেও জানান তিনি।